Summary
হজরত যাকারিয়া (আ) ছিলেন বনি ইসরাইলের একজন নবী এবং হজরত সুলাইমান (আ)-এর বংশধর। তাঁর স্ত্রী হারুন (আ)-এর বংশধর এবং তিনি হযরত ঈসা (আ)-এর মাতার, মরিয়মের অভিভাবক ছিলেন। তিনি ইবাদতখানার ইমাম ও মোতোয়াল্লী ছিলেন।
হযরত যাকারিয়ার কোনও সন্তান ছিল না এবং বৃদ্ধ অবস্থায় সন্তানের আশা না থাকলেও, মরিয়মের কাছে অমৌসুমি ফল দেখে তিনি আল্লাহর কাছে সন্তানের জন্য প্রার্থনা করেন। আল্লাহ তাঁকে পুত্রসন্তানের সুসংবাদ দেন, যাঁর নাম হবে ইয়াহিয়া।
যাহোক, তাঁর সম্প্রদায় ইমান আনতে রাজি হয়নি এবং নবির সাথে শত্রুতা শুরু করে। তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করা হয়, এবং তিনি একটি গাছের কোটরে আশ্রয় নেন। ইহুদিরা তাঁকে গাছসহ দ্বিখণ্ডিত করে, কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরেন।
- শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা: দশজন নবি-রাসুলের নাম খাতায় লিখতে হবে।
হজরত যাকারিয়া (আ) ছিলেন বনি ইসরাইলের একজন নবি। তিনি ছিলেন হজরত সুলাইমান (আ)-এর বংশধর। তাঁর স্ত্রী ছিলেন হযরত হারুন (আ)-এর বংশধর। হযরত ঈসা (আ)-এর মাতা মরিয়মের অভিভাবক ছিলেন হযরত যাকারিয়া (আ) ৷ তিনি ইবাদতখানার ইমাম ও মোতোয়াল্লী ছিলেন। তাঁর বংশে হযরত ইমরান ও তাঁর স্ত্রী হান্না ছিলেন আল্লাহভক্ত । হান্না ছিলেন মরিয়মের মাতা ।
হযরত যাকারিয়ার কোনো সন্তান ছিল না। বৃদ্ধ অবস্থায় সন্তানের আশাও ছিল না। মরিয়মের কাছে অমৌসুমি ফল দেখে তাঁর মনে আশার সঞ্চার হয়। তিনি আল্লাহর কাছে সন্তান কামনা করেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে পুত্রসন্তানের সুসংবাদ দিলেন যার নাম হবে ইয়াহিয়া । তাঁর সম্প্রদায় তাঁর আহ্বানে সাড়া দিল না। ইমান আনল না। তারা নবির সাথে শত্রুতা শুরু করল। তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করতে লাগল । তিনি একটি গাছের কোটরে আশ্রয় নিলেন। ইহুদিরা তাকে গাছসহ দ্বিখণ্ডিত করল । তিনি উহ্ শব্দটিও করলেন না। সবুর করলেন। আমরা তাঁর জীবন থেকে ধৈর্যের শিক্ষা গ্রহণ করব ।
| পরিকল্পিত কাজ : শিক্ষার্থীরা দশজন নবি-রাসুলের নাম খাতায় লিখবে। |
Read more